বাংলা স্টোরি ফেসবুক পেইজ কখনোই সেল করা হবে না। কোথাও কোনো এড দেখে পেইজ কিনতে গিয়ে স্ক্যামের স্বীকার হলে বাংলা স্টোরি কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

যেকোনো প্রয়োজনে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দিন - +8801947368211

ফিনল্যান্ডে স্টুডেন্ট ভিসা আবেদন করবেন যেভাবে

ja

ইউরোপের একটি শান্তশিষ্ট সুন্দর পরিবেশের দেশ হচ্ছে ফিনল্যান্ড। ইউরোপের উত্তর অঞ্চলে অবস্থিত শুভ অরণ্য ঘেরা এই ফিনল্যান্ড। এই দেশটির সবচেয়ে বড় শহর এবং রাজধানীর নাম হচ্ছে হেলসিংকি। উচ্চমানের শিক্ষা ব্যবস্থার কারণে বর্তমানে শিক্ষার্থীদের জন্য ফিনল্যান্ড হয়ে উঠেছে আকর্ষণীয় একটি দেশ। তাই আজকের ব্লগ টি শুরু করছি ফিনল্যান্ড স্টুডেন্ট ভিসায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক ফিনল্যান্ড বিশ্বাস যত রিকোয়ারমেন্ট।

আপনি ফিনল্যান্ডে স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করবেন কেন?

বর্তমানে ফিনল্যান্ডের শিক্ষা ব্যবস্থা খুবই উন্নত। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ইউরোপীয় ইকোনমিক এরিয়া ছাড়াও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে অনেক সুযোগ-সুবিধা। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা এই দেশে গ্রেজুয়েট, পোস্ট গ্রেজুয়েট এবং মাস্টারস কোর্স সম্পন্ন করতে পারে। আপনি যদি গ্রেজুয়েট পোস্ট গ্রেজুয়েট অথবা মাস্টার্স করতে চান তাহলে অবশ্যই ফিনল্যান্ড আসতে পারেন। ফিনল্যান্ডে রয়েছে শর্ট টার্ম এবং লং টার্মের পড়ালেখার সুবিধা।

টিউশন ফি কত?
ফিনল্যান্ডের বড় কিছু ইউনিভার্সিটির টিউশন ফি –

আল্টো ইউনিভার্সিটি – এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতি বছরে ১৪ হাজার থেকে ২৫ হাজার ইউরো পর্যন্ত।

ইউনিভার্সিটি অব হেলসিংকি – ১৩ হাজার থেকে ২০ হাজার ইউরো।

হেলসিংকি মেট্রোফোলিয়া ইউএএস – ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার ইউরো।

ইউনিভার্সিটি অফ ওলু – এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ হাজাত থেকে ১৬ হাজার ইউরো।

আবু আকাদেমি ইউনিভার্সিটি – ৮ হাজার থেকে ১৬ হাজার ইউরো।

আরকাডা ইউনিভার্সিটি অফ অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস – ছয় থেকে ১২ হাজার ইউরো।

ইউনিভার্সিটি অফ ইস্টার্ন ফিনল্যান্ড – এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ হাজার থেকে ২০ হাজার ইউরো।

ইউনিভার্সিটি অফ তুর্কু – এ বিশ্ববিদ্যালয়টিতে টিউশন ফি ৮ হাজার থেকে ২০ হাজার ইউরো।

ফিনল্যান্ডের ভিসা পাওয়ার জন্য যেসব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ –

* ফিনল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয় অবশ্যই আপনাকে আবেদন করতে হবে।

* আপনার নামে কোন প্রকার মামলা থাকা যাবে না।

* ফিনল্যান্ড যেহেতু সেনজেনের অংশ, তাই সেনজেনের কোন দেশে আপনার নিষেধাজ্ঞা থাকা যাবে না।

* আপনি ফিনল্যান্ডের কোন স্থানীয় মানুষের সমস্যা তৈরি করবেন না।

ফিনল্যান্ডের ভিসা পেতে যা যা লাগবে

* ফিনল্যান্ডের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আপনার আবেদন গ্রহণ করেছে এমন পেপারস।

* টিউশন ফি এবং স্কলারশিপের যাবতীয় তথ্য।

* ব্যাংক স্টেটমেন্ট।

* আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বীমা।

* স্টুডেন্ট ভিসার ফি প্রদান করার রশিদ।

ফিনল্যান্ডের স্টুডেন্ট ভিসা আবেদন করবেন যেভাবে –

১) ফিনল্যান্ডের যেই বিশ্ববিদ্যালয়ে আপনি পড়াশোনা করতে আগ্রহী সে বিশ্ববিদ্যালয়ের রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী আপনার যোগ্যতা যাচাই করুন এবং প্রস্তুতি নিন।

২) সকল প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট প্রস্তুত করে নিন।

৩) অনলাইনে ফিনল্যান্ডের ভিসা আবেদন করুন অথবা যেকোন কম্পিউটার দোকান থেকে আবেদন করিয়ে নিন।

৪) ভিসা আবেদন করার পর এবার ভিসা অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করুন।

৫) অনুপমোদন হয়ে গেলে সকল প্রসেস শেষ করে ফিনল্যান্ড চলে যান।

পড়াশোনার পাশাপাশি ফিনল্যান্ডে কাজের সুযোগ –

ফিনল্যান্ডে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা চাইলে পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করতে পারবে। পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করার জন্য শিক্ষার্থীদের কাজের পারমিট নিতে হবে। প্রতি সপ্তাহে ২৫ ঘন্টা পর্যন্ত কাজ করতে পারবে এবং গ্রীস্মের ছুটিতে ফুল টাইম কাজ করতে পারবে।

ফিনল্যান্ডের স্টুডেন্ট ভিসার খরচ কেমন –

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য এবং দীর্ঘমেয়াদী ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করলে ভিসা ফি ৩০০ থেকে ৫০০ ইউরো এবং অফলাইনে আবেদন করলে ৪৫০ থেকে ৫৫০ পর্যন্ত। স্বল্প মেয়াদী ভিসার জন্য ভিসা ফি ৮০ থেকে ১০০ ইউরো পর্যন্ত।

ফিনল্যান্ডে স্টোন ভিসা প্রসেসিং সময় –
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা ফিনল্যান্ডে অনলাইনে স্টুডেন্ট ভিসা আবেদন করলে ভিসা প্রসেসিং সময় দুই থেকে চার মাসের মত সময় লাগে। আর যদি কেউ অফলাইনে আবেদন করে থাকে সেক্ষেত্রে তিন থেকে পাঁচ মাস সময় লাগে।

শেষ কথা
আপনি যদি একজন শিক্ষার্থী হয়ে থাকেন এবং ফিনল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি তে পড়াশোনা করতে আগ্রহী হয়ে থাকেন তবে উপরের আর্টিকেলটি আপনার কাজে আসবে। উপরোক্তা আর্টিকেলে ফিনল্যান্ডের ভিসার যাবতীয় তথ্য তুলে ধরেছি। আর্টিকেল টি উপকারে আসবে আশা করি।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *